বাঙ্গালাদেশে যে সকল দুর্ব্বৃত্তজাতি চুরি ডাকাইতি প্রভৃতি করে তাহাদের সম্বন্ধে পুস্তক
দুর্ব্বৃত্ত জাতি বিষয়ে
বইটি প্রকাশিত হয়েছিল উনিশ শো ষোলো খ্রিস্টাব্দে, এখন দুই হাজার একুশ-এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এর তথ্য ও বিবরণ অন্য কোথাও আলোচিত না-হওয়ায় শতাব্দপ্রাচীন এই বইয়ের গুরুত্ব বহুগুণ বেড়েছে। এমনিতে ঔপনিবেশিক শাসকেরা সাধারণত যা করে থাকেন, এখানেও তাই করেছেন- শাসনকাজের সুবিধার কথা ভেবে ব্যবহারিক কারণেই লিখেছেন বইটি। বইয়ের নাম ‘বাঙ্গালাদেশে যে সকল দুর্ব্বৃত্ত জাতি চুরি ডাকাইতি প্রভৃতি করে তাহাদের সম্বন্ধে পুস্তক’, লেখক বাঙ্গালা পুলিশের ডেপুটি ইন্সপেক্টর-জেনেরাল এফ্, সি, ডালি, সি, আই, ই, আর মুদ্রক কলকাতা ‘বেঙ্গল সেক্রেটারীয়েট যন্ত্রালয়’। এ-ধরনের অন্যান্য বই প্রকাশের অভিজ্ঞতা থেকে আন্দাজ করি, এটি দাপ্তরিক প্রয়োজনে অল্পসংখ্যক বের হয়েছিল,১ যে-কারণে বহুল প্রচারের কোনো সুযোগই আর তৈরি হয়নি।
বইয়ের শুরুতে ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দের জুন মাসের একুশ তারিখে লিখিত ভূমিকায় এফ, সি, ডালি জানিয়েছিলেন, বাংলার অধিবাসী এবং অন্য প্রদেশ-থেকে-আসা লোকদের মধ্যে যারা চুরি-ডাকাতি করে তাদের কার্যপ্রণালী সম্পর্কে পুলিশ কর্মচারীদেরকে শিক্ষা দেওয়াই এই বই লেখার উদ্দেশ্য। আরও লিখেছিলেন :
কার্য্যক্ষেত্রে পুলিশ কর্ম্মচারিগণকর্তৃক ব্যবহারের জন্য এই পুস্তক লিখিত হওয়ায় ইহাতে দুর্ব্বৃত্ত জাতিদিগের উৎপত্তি বা জাতিতত্ত্ব সম্বন্ধে বিস্তৃত আলোচনা করা প্রয়োজন মনে হয় নাই। আশা করা যায় যে, কার্য্যক্ষেত্রে যে সকল বিষয় জানা আবশ্যক হয় এই পুস্তকে কেবলমাত্র সেই সকল বিষয়ের আলোচনা থাকায় পুলিশ কর্ম্মচারিগণ এই পুস্তক আগ্রহ করিয়া পড়িবেন, বুঝিবেন ও মনে রাখিবেন।
স্পষ্ট বোঝা যায়, কাজের ক্ষেত্রে যে-সকল বিষয় জানা দরকার, আরও স্পষ্টভাবে বললে, এদেরকে চিনে, ধরে, শায়েস্তা করার জন্য যা যা দরকার, তারই জন্য তথ্য লিপিবদ্ধ করা হয়েছে...
দুর্ব্বৃত্ত জাতি বিষয়ে বইটি প্রকাশিত হয়েছিল উনিশ শো ষোলো খ্রিস্টাব্দে, এখন দুই হাজার একুশ-এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এর তথ্য ও বিবরণ অন্য কোথাও আলোচিত না-হওয়ায় শতাব্দপ্রাচীন এই বইয়ের গুরুত্ব বহুগুণ বেড়েছে। এমনিতে ঔপনিবেশিক শাসকেরা সাধারণত যা করে থাকেন, এখানেও তাই করেছেন- শাসনকাজের সুবিধার কথা ভেবে ব্যবহারিক কারণেই লিখেছেন বইটি। বইয়ের নাম ‘বাঙ্গালাদেশে যে সকল দুর্ব্বৃত্ত জাতি চুরি ডাকাইতি প্রভৃতি করে তাহাদের সম্বন্ধে পুস্তক’, লেখক বাঙ্গালা পুলিশের ডেপুটি ইন্সপেক্টর-জেনেরাল এফ্, সি, ডালি, সি, আই, ই, আর মুদ্রক কলকাতা ‘বেঙ্গল সেক্রেটারীয়েট যন্ত্রালয়’। এ-ধরনের অন্যান্য বই প্রকাশের অভিজ্ঞতা থেকে আন্দাজ করি, এটি দাপ্তরিক প্রয়োজনে অল্পসংখ্যক বের হয়েছিল,১ যে-কারণে বহুল প্রচারের কোনো সুযোগই আর তৈরি হয়নি। বইয়ের শুরুতে ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দের জুন মাসের একুশ তারিখে লিখিত ভূমিকায় এফ, সি, ডালি জানিয়েছিলেন, বাংলার অধিবাসী এবং অন্য প্রদেশ-থেকে-আসা লোকদের মধ্যে যারা চুরি-ডাকাতি করে তাদের কার্যপ্রণালী সম্পর্কে পুলিশ কর্মচারীদেরকে শিক্ষা দেওয়াই এই বই লেখার উদ্দেশ্য। আরও লিখেছিলেন : কার্য্যক্ষেত্রে পুলিশ কর্ম্মচারিগণকর্তৃক ব্যবহারের জন্য এই পুস্তক লিখিত হওয়ায় ইহাতে দুর্ব্বৃত্ত জাতিদিগের উৎপত্তি বা জাতিতত্ত্ব সম্বন্ধে বিস্তৃত আলোচনা করা প্রয়োজন মনে হয় নাই। আশা করা যায় যে, কার্য্যক্ষেত্রে যে সকল বিষয় জানা আবশ্যক হয় এই পুস্তকে কেবলমাত্র সেই সকল বিষয়ের আলোচনা থাকায় পুলিশ কর্ম্মচারিগণ এই পুস্তক আগ্রহ করিয়া পড়িবেন, বুঝিবেন ও মনে রাখিবেন। স্পষ্ট বোঝা যায়, কাজের ক্ষেত্রে যে-সকল বিষয় জানা দরকার, আরও স্পষ্টভাবে বললে, এদেরকে চিনে, ধরে, শায়েস্তা করার জন্য যা যা দরকার, তারই জন্য তথ্য লিপিবদ্ধ করা হয়েছে...
Publisher |
|
ISBN |
9789849608127 |
Language |
Bengali / বাংলা |
Country |
Bangladesh |
Format |
Hardcover |
First Published |
2022 |
Pages |
284 |